NGO Job CircularEducational News

এনজিওর চাকরি হালাল না হারাম | NGO Jobs are Halal or Haram

এনজিও বলতে কি বুজায়?

NGO এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Non-Governmental Organization. অর্থাৎ এটি কোন সরকারি বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। এনজিও মূলত প্রতিষ্ঠিত হয় জনগন বা সমাজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে। যেমন- সামাজিক অধিকার, ভোটাধিকার, চিকিৎসার অধিকার,  অসহায় দরিদ্রদের আর্থিক বা অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতা করা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করাই তাদের মূল লক্ষ্য ছিল। এবং এই ধরণের প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালিত হয় সমাজের বিভিন্ন উচ্চ শ্রেণীর মানুষ বা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের মাধ্যমে।

 

আরও পড়ুন- যেকোন এনজিও চাকরির আবেদন পত্র লেখার নিয়ম 

পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম | E-Passport Check Online

প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়ম বাংলা ও ইংরেজি এবং পিডিএফ ও ওয়ার্ড ফাইল ডাউনলোড

 যেকোন ধরণের সরকারী বেসরকারি চাকুরির বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক সাজেশন পেতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পেতে সর্বদা আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।

 

এনজিওর চাকরি হালাল না হারাম

 

এনজিওর চাকরি হালাল না হারাম

এনজিওর চাকরি হালাল না হারাম এই প্রশ্নটি আলেম ও ইসলামিক জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনা ও বিতর্কের বিষয়। হালাল বলতে এমন কাজ বোঝায় যা জায়েয এবং ইসলামী শিক্ষা অনুযায়ী, আর হারাম বলতে নিষিদ্ধ কাজগুলোকে বোঝায়।

এনজিও চাকরির প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, এনজিও দ্বারা পরিচালিত কাজের প্রকৃতি পরীক্ষা করা উচিত। যদি কাজটি ইসলামে হারাম বলে বিবেচিত হয়, যেমন অন্যায় প্রচার করা, সুদের সাথে জড়িত (সুদ-ভিত্তিক লেনদেন), বা অবৈধ কার্যকলাপকে সমর্থন করা, তাহলে এই ধরনের কাজের সাথে জড়িত হওয়া হারাম বলে বিবেচিত হবে।

অন্যদিকে, যদি এনজিও দ্বারা করা কাজটি মানবতার সাহায্য এবং সেবার লক্ষ্য হয়, যেমন মানবিক সহায়তা প্রদান, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বা দারিদ্র্য বিমোচন, তবে এটি একটি মহৎ এবং পুণ্যময় প্রচেষ্টা হিসাবে দেখা যেতে পারে। এই ক্ষেত্রে, এই ধরনের চাকরিতে নিযুক্ত হওয়া সম্ভবত হালাল বলে বিবেচিত হবে, কারণ এটি ইসলামে জোর দেওয়া দাতব্য, সমবেদনা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের নীতিগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

যাইহোক, এনজিওর তহবিল উত্স এবং অনুশীলনগুলি সমালোচনামূলকভাবে মূল্যায়ন করা অপরিহার্য। যদি সংস্থাটি বেআইনি বা অনৈতিক উত্স থেকে তহবিল পায়, যেমন জুয়া, অ্যালকোহল বা সুদ-ভিত্তিক ব্যাংকিং, তাহলে এটি কাজের প্রকৃতিকে কলঙ্কিত করতে পারে এবং এটিকে হারাম করে তুলতে পারে।

পরিশেষে, একটি এনজিওর কাজ হালাল না হারাম তা নির্ধারণের জন্য একজন ব্যক্তিকে কাজের প্রকৃতি, তহবিলের উত্স এবং সমাজে এর প্রভাব সম্পর্কে যত্ন সহকারে মূল্যায়ন করতে হবে। জ্ঞানী পণ্ডিতদের সাথে পরামর্শ করাও একটি জ্ঞাত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারে।

 

 

এনজিওতে চাকরি করা কি জায়েজ আছে

তবে বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত অধিকাংশ এনজিও প্রতিষ্ঠান তাদের সামাজিক থেকে আর্থিক কার্যক্রম বেশি পরিচালনা করে থাকে। আর যারা আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তারা সবাই একটা নির্দিষ্ট শর্তে মুনাফা নিয়ে আর্থিক সহায়তা করে । অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সুতরাং বলা যায় যে, এনজিও চাকরির কাজ যেহেতু সুদের সাথে জড়িত সেহেতু এটা সম্পূর্ণ হারাম কাজ। আর এর থেকে প্রাপ্ত বেতন ও হারাম হবে।

 

চলমান বিজ্ঞপ্তিসমূহঃ

১৩৭৭ পদে খাদ্য অধিদপ্তরে চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

কৃষি মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

জাগরণী চক্রে চাকরির সুযোগ ২০২৩

 

Post Related Things: 

 

 

প্রতিদিনের চাকরির খবর গুলো ফেসবুকে পেতে জয়েন করুন আমাদের গ্রুপে। গ্রুপে জয়েন করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

 

 

T.M. Hadiuzzaman

Web Developer & Future IT Specialist (Dream)

2 thoughts on “এনজিওর চাকরি হালাল না হারাম | NGO Jobs are Halal or Haram

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *